সীমান্তে নজরদারি নিয়ে ঐক্যমত্যের পর বুধবার মোদী ও জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত :
বিস্তারিত:
- গালওয়ান সংঘর্ষ: ২০২০ সালে ভারত এবং চীনের সৈন্যদের মধ্যে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় একটা বড় সংঘর্ষ হয়েছিল। এই সংঘর্ষে অনেক সৈন্য মারা গিয়েছিল।
- প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা: ভারত এবং চীনের মধ্যকার সীমানা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত নয়। এই অস্পষ্ট সীমানাকেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বলে।
- ঐক্যমত্য: দুই দেশের সরকারের লোকেরা মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, তারা এই সীমান্তে একজন আরেকজনকে নজর রাখবে কিন্তু আর ঝগড়া করবে না।
এই সিদ্ধান্তের ফলে:
- ভারত এবং চীনের মধ্যকার সম্পর্ক কিছুটা শান্ত হতে পারে।
- দুই দেশের সীমান্তে উত্তেজনা কমতে পারে।
- ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা কমে যাবে।
মনে রাখতে হবে:
- এই ঐক্যমত্য কতটা স্থায়ী হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
- দুই দেশের মধ্যে অন্যান্য বিষয় নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে।
২০২০ সালের জুনে গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। তবে দীর্ঘমেয়াদী এই দ্বন্দ্বের পর, সীমান্তে নজরদারি নিয়ে অবশেষে দুই দেশ একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। সোমবার বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি জানান, দুই দেশের আধিকারিকদের আলোচনার ভিত্তিতে এলএসি বরাবর নজরদারি চালানোর বিষয়ে ঐক্যমত্য হয়েছে।
এরপর, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান যে ২০২০ সালের মে মাসের আগে যেমন দুই দেশের সেনা এলএসি-তে টহল দিত, সেই অবস্থায় ফিরতে চলেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, দেপসাং সমতল এলাকা এবং দেমচকে নজরদারি নিয়ে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে ভারত ও চিন। দুই দেশের সেনাই সেখানে টহল দেবে, যা সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় নজরদারি নিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে ঐক্যমত্যে পৌঁছানোর একদিন পরই রাশিয়ায় ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে পৌঁছেছেন মোদী ও জিনপিং। সেখানেই আগামীকাল তাঁদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতার আলোচনার ফলাফল কী হবে, তা নিয়ে সবার দৃষ্টি এখন সেখানে নিবদ্ধ।

0 Comments