গাজা স্কুল অ্যাটাক: স্কুলেরও রেহাই নেই, গাজার জাবালিয়ায় বিধ্বংসী ইজরায়েলি পাকিস্তান শক্তিশালী শিশু-সহ ২৮
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, হামাস এবং ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ গ্রুপের যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। যোদ্ধারা জাবালিয়ার আবু হুসেন স্কুল থেকে কাজ করছিল। যদিও ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘর্ষ এক বছর পেরিয়ে গেলেও ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হয়নি। তারা নির্দিষ্টভাবে অসামরিক স্থাপনাগুলোকেই টার্গেট করছে। এবার গাজার জাবালিয়ায় একটি স্কুলে হামলা চালিয়ে সেটিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। এই হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকেই শিশু।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই স্কুলে শরণার্থীরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। উত্তর গাজার সেই স্কুলেই ইসরায়েলি সেনারা হামলা চালায়, আর ওই এলাকায় তারা এখন স্থল হামলাও চালিয়ে যাচ্ছে।
প্যালেস্টাইনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মেধাত আব্বাস জানিয়েছেন, ইসরায়েলের নতুন স্থল হামলার পর প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ থাকা এই এলাকায় বৃহস্পতিবারের হামলায় আরও ১৬০ জন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, "আগুন নেভানোর কোনো পানি নেই। কিছুই নেই। এটা একটি গণহত্যা। অসামরিক নাগরিক ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে, আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে।"
তবে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, হামাস এবং ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ গ্রুপের যোদ্ধাদের লক্ষ্য করেই হামলাটি করা হয়েছিল। যোদ্ধারা আবু হুসেন স্কুল থেকে কাজ করছিল। ওই স্কুলটি শরণার্থীদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। হামাস অবশ্য এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে অস্বীকার করেছে, এবং বলেছে জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলে যুদ্ধের উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা হয়নি।
গত বছর ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় বিমান এবং স্থল হামলা চালিয়ে আসছে। এসব হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

0 Comments